ঐ যে উঠিল দিনপতি,
কেউ জানে না খানিকপরে
ঘটাইবে কি মহাপতি।
কেউ জানে না বীর সোহরাবের
আজি হবে শেষ দিন,
পুত্র শোকে কাঁদিবে তাসমিনা
অনন্ত চিরদিন ।
আজ রঞ্জিত হবে পিতার হাত
পুত্রের রক্ত দিয়ে,
কাছে থেকেও বুজবে না সে
থাকবে শুধু চেয়ে।
বীর রুস্তম তখন হাসিয়া বলিবে
হইলো শত্রু শেষ,
ভাবিবে না সে, পিতার হাতে
পুত্র হইলো নিঃশেষ ।
অবশেষে যখন মুমূর্ষু সোহরাব
করিবে কাহিনী বর্ণনা ,
কণ্ঠ্য রুদ্ধ হয়ে যাবে রুস্তমের
দেহ খানা আর চলিবে না।
অন্তর তার আর্তনাদ করিয়া কাঁদিয়া
উঠিবে ভয়ে,
কি নিষ্ঠুর সে চোখের সামনে পুত্রের
মৃত্যু সয়ে।
প্রার্থনা করিবে এ পৃথিবী যেন কখনও
ক্ষমা করে নাক তারে,
বাকিটা জীবন কাটাইতে পারে যেন
পুত্রের শোকে পুড়ে।